সুলুকসন্ধান

সুলুকসন্ধান

পাগলা ঘোড়া

ampata-jora-jora

আমপাতা জোড়া জোড়ামারব চাবুক চড়ব ঘোড়া।ওরে বিবি, সরে দাঁড়াআসছে আমার পাগলা ঘোড়া।পাগলা ঘোড়া ক্ষেপেছেবন্দুক ছুঁড়ে মেরেছেঅল্ রাইট্ ভেরী গুড়মেম খায় চা-বিস্কুট ।। ইচিং বিচিং নাচন

ইচিং বিচিং

ইচিং বিচিং

ইচিং বিচিং জামাই চিচিং।মাকড়েরা নড়ে চড়ে,সাত কুমড়া ডিম পাড়ে।এলের পাত বেলের পাত,খলসে মাছের চোকা,উড়ে বসে পোকা ।। কল্পতরু খুকু গেছে জল আনতে

কল্পতরু

পাঁকাল-মাছের-কাঁকাল-সরু

পাঁকাল মাছের কাঁকাল সরু মেয়েটি যেন কল্পতরু! মেয়ে হ’ব, ঘর নিকব, পরবো পাটের শাড়ি- খড়-খড়েতে চড়ে’ যাব জমিদারের বাড়ি ।। থেনা নাচন থেনা চাঁদের কণা

নাচন

থেনা নাচন থেনা

থেনা নাচন থেনা,বট পাকুড়ের ফেনা।বলদে খেলো চিনা,ছাগলে খেলো ধান,সোনার যাদুর জন্যে যেয়েনাচনা কিনে আন ।। চাঁদের কণা আয় রে আয় টিয়ে

চাঁদের কণা

চাঁদের-পানে

চাঁদের পানে চেয়ে চেয়ে রাত কেটেছে কত, তাইতো সোনা চাঁদের কণা, পেয়েছি মনের মত। ধনকে নিয়ে বনকে যাবো আর করব কি? চুপটি ক’রে ব’সে ধনের মুখটি নিরখি ।।

ভিক্টোরিয়ার পরী: কলকাতার আইকনিক স্মৃতিচিহ্ন

ভিক্টোরিয়ার-পরী

ইতিহাস ও নির্মাণ স্থাপত্য ও বৈশিষ্ট্য রহস্য ও লোককথা সংস্কৃতি ও পর্যটন শিল্প-স্থাপত্যের বিশেষত্ব সারাংশ ভিক্টোরিয়ার এই কালো পরী কলকাতার ইতিহাস, শিল্প, প্রেম ও সংস্কৃতির এক বিমূর্ত প্রতীক। শিল্পীজীবনের ব্যতিক্রম, স্থাপত্যের জয়ধ্বনি এবং কিংবদন্তির রহস্যে ঘেরা এই ব্রোঞ্জের মূর্তি শতাব্দী…

খুকু গেছে জল আনতে

খুকু-গেছে-জল-আনতে

আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে, সূয্যি গেল পাটে- খুকু গেছে জল আনতে পদ্মদীঘির ঘাটে। পদ্মদীঘির কালো জলে হরেক রকম ফুল, হাঁটুর নীচে দুলছে খুকুর গোছাভরা চুল। বিষ্টি এলে ভিজবে সোনা, চুল শুকানো ভার- জল আনতে খুকুমণি যায় না যেন আর ॥

নোটন নোটন পায়রাগুলি

নোটন নোটন পায়রাগুলি ঝোটন বেঁধেছে। ওপারেতে ছেলে মেয়ে নাইতে নেমেছে। দুই ধারে দুই রুই কাতলা ভেসে উঠেছে। কে দেখেছে কে দেখেছে, দাদা দেখেছে। দাদার হাতে কলম ছিল ছুঁড়ে মেরেছে – উঃ – বড্ড লেগেছে!